![]() |
শাহজালাল বিমানবন্দরে করোনা ভাইরাস শনাক্তে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা (ছবি : সংগৃহীত) |
চীনের উহান থেকে বাংলাদেশে আসা ৩৯ জনের নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কারও শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পায়নি সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন।
চীনে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিনের পর দিন বাড়তে থাকায় দেশটি থেকে যারা বাংলাদেশে ফিরছেন, তাদের সবাইকে বিমানবন্দরে ‘হেলথ স্ক্রিনিং’ হচ্ছে। যাদের সর্দি-জ্বরের মতো উপসর্গ থাকছে তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে আইইডিসিআর। পাশাপাশি সারা দেশ থেকে কোনো সন্দেহজনক সংক্রমণের তথ্য পেলে তাদেরও পরীক্ষা করা হচ্ছে।
অধ্যাপক সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, এ রকম মোট ৩৯ জনের রক্ত ও লালার নমুনা পরীক্ষা করে কারও শরীরে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি।
এ ভাইরাস মূলত শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ ঘটায়। এ রোগের লক্ষণ শুরু হয় জ্বর দিয়ে, একই সঙ্গে কাশি, সর্দি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা ও শরীর ব্যথা থাকতে পারে। এখানেই শেষ নয়, সপ্তাহখানেকের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। করোনা ভাইরাসের উপসর্গগুলো হয় অনেকটা নিউমোনিয়ার মতো।
সাম্প্রতিক সময়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে চীনের অবরুদ্ধ শহর উহান থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে একটি বিশেষ ফ্লাইট পাঠায় বাংলাদেশ সরকার। পরদিন ৩১২ জনকে নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকায় পৌঁছায়। এদের মধ্যে আট জনের জ্বর থাকায় তাদের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ও সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে বিশেষ ওয়ার্ডে নেওয়া হয়। বাকিদের ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইন অবস্থায় আশকোনায় হাজি ক্যাম্পে রাখা হয়েছে।